স্ক্রিনটাইম নিয়ন্ত্রণ: চোখ ও মনকে সুস্থ রাখার উপায়

আপলোড সময় : ০৪-০৪-২০২৬ ১১:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৫-০৪-২০২৬ ১২:০১:২১ পূর্বাহ্ন
বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও টেলিভিশনের ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইম বা স্ক্রিনের সামনে বেশি সময় কাটানো শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই স্ক্রিনটাইম নিয়ন্ত্রণ করা এখন সময়ের দাবি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে চাপ পড়ে, মাথাব্যথা হতে পারে এবং ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার তাদের পড়াশোনা ও সামাজিক আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
অতিরিক্ত স্ক্রিনটাইমের ক্ষতি
দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে চোখের সমস্যা, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে স্থূলতা, ঘুমের ব্যাঘাত এবং মনোযোগের ঘাটতির মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
শিশুদের জন্য ঝুঁকি বেশি
শিশুরা যদি বেশি সময় স্ক্রিনে ব্যস্ত থাকে, তবে তাদের মানসিক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ কমে গেলে তাদের সামাজিক দক্ষতা ও কল্পনাশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন?
স্ক্রিনটাইম নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা যেতে পারে। অপ্রয়োজনীয় সময় মোবাইল ব্যবহার কমানো, বই পড়া, খেলাধুলা বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো—এসব অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। ঘুমানোর আগে স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ডিজিটাল ডিভাইস আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, তবে এর অতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে। তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য স্ক্রিনটাইম নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতা ও সঠিক অভ্যাসই পারে আমাদের সুস্থ রাখতে।

সম্পাদকীয় :

লাইসেন্স নং: TRAD/DNCC/013106/2024 বার্তা বিভাগ: [email protected] অফিস: [email protected]

অফিস :

যোগাযোগ: মিরপুর, শেওড়াপাড়া হটলাইন: 09638001009 চাকুরী: [email protected]