ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে ‘প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড’ ব্যবস্থাকে মধ্যযুগীয় বলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেছেন, এই মন্তব্য ইসলামী বিচারব্যবস্থা ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিচারনীতির প্রতি চরম অবমাননার শামিল।
গতকাল জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজে দেয়া এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ আখ্যা দিয়ে মূলত রাসূল (সা.)-এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন বলে দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের নীতিনির্ধারকরা একদিকে ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং শরিয়াবিরোধী আইন প্রণয়ন না করার প্রতিশ্রুতি দেন, অন্যদিকে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে আখ্যায়িত করে দ্বিচারিতার পরিচয় দিচ্ছেন।
জামায়াতের এই নেতা আরো বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই অবমাননাকর মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি ইসলামী শরীয়া আইন নিয়ে ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য থেকে বিরত থাকারও দাবি জানান তিনি।
গতকাল জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজে দেয়া এক বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ডকে ‘মধ্যযুগীয়’ আখ্যা দিয়ে মূলত রাসূল (সা.)-এর বিচারব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করেছেন বলে দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী মনে করছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের নীতিনির্ধারকরা একদিকে ‘মদিনার সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা’ এবং শরিয়াবিরোধী আইন প্রণয়ন না করার প্রতিশ্রুতি দেন, অন্যদিকে ইসলামী শরীয়া আইনকে ‘মধ্যযুগীয়’ বলে আখ্যায়িত করে দ্বিচারিতার পরিচয় দিচ্ছেন।
জামায়াতের এই নেতা আরো বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
বিবৃতিতে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই অবমাননাকর মন্তব্য প্রত্যাহার করার জন্য আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি ইসলামী শরীয়া আইন নিয়ে ‘অবমাননাকর’ মন্তব্য থেকে বিরত থাকারও দাবি জানান তিনি।