ঈদুল আজহা সামনে রেখে উত্তর প্রদেশে কুরবানি ও ঈদের নামাজ নিয়ে কড়া নির্দেশনা জারি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। রোববার (২৪ মে) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে তিনি জেলা প্রশাসনকে স্পষ্ট নির্দেশ দেন, খোলা জায়গা বা জনসমাগমস্থলে কুরবানি দেওয়া যাবে না এবং রাস্তা বন্ধ করে ঈদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, নামাজ কেবল প্রচলিত ও পূর্বনির্ধারিত স্থানেই আদায় করতে হবে। কুরবানির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট অনুমোদিত স্থান ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে কোনো নতুন রীতি বা প্রথা চালু করা যাবে না বলেও নির্দেশ দেন তিনি। এ ছাড়া 'নিষিদ্ধ পশু' কুরবানির বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ এবং বৈধ কসাইখানাগুলোতে নির্ধারিত ধারণক্ষমতার বেশি পশু না রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালীন নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত রাখতেও প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারও ঈদুল আজহা উপলক্ষে গবাদিপশু কুরবানি ও জবাইয়ের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ওই রাজ্যে এসব বিধিনিষেধের কারণে পশু বেচাকেনায় বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়েছে এবং মুসলিম ও হিন্দু উভয় সম্প্রদায়ের খামারি ও ব্যবসায়ীরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ভারতের দুটি বড় রাজ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত ঈদুল আজহা ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।