মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশে বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট শর্তও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক এই সরকারি আদেশ জারির তারিখ থেকে পরবর্তী ১৮ মাসের মধ্যে সকল ‘প্রশিক্ষণবিহীন’ প্রধান শিক্ষককে অবশ্যই ‘প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য মৌলিক প্রশিক্ষণ’ (বিটিপিটি) সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। মূলত শিক্ষার গুণগত মান বজায় রাখতে এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই প্রশিক্ষণের শর্তারোপ করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে ৬৫ হাজারেরও বেশি প্রধান শিক্ষক সরাসরি উপকৃত হবেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে কাজের উদ্যম আরও বাড়বে এবং তারা প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও বেশি সৃজনশীল ও আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে পারবেন। এটি কেবল শিক্ষকদের ব্যক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং দেশের সামগ্রিক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় গতিশীলতা আনতে সহায়ক হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আরও আশা প্রকাশ করেছে যে, এই প্রাপ্তির পর প্রধান শিক্ষকগণ অন্যান্য শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। সরকারের প্রত্যাশা, উন্নত মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পেয়ে শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হবেন, যা শেষ পর্যন্ত জাতীয় পর্যায়ে শিক্ষার গুণগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় অবদান রাখবে।
(সূত্র: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়)
ডেস্ক রিপোর্ট