অবশেষে গতকাল বিকেলে সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী সংকট সুরাহায় বিশেষ উদ্যোগ নেন। তিনি বেপজা কর্তৃপক্ষ, কারখানা মালিক এবং প্রাইমমুভার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই হাজার টাকা করে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একইসাথে নিয়োগপত্র এবং ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র প্রদানের জন্য দুই মাসের সময় নেয়া হয়। মালিক এবং শ্রমিকদের সাথে সফল আলোচনার পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করে শ্রমিকেরা প্রাইমমুভার চালানো শুরু করেন। এতে ৪ মে থেকে শুরু হওয়া অচলাবস্থার অবসান ঘটে।
ইপিজেডের প্রাইমমুভার শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
আলোচনা ও সমঝোতার পর ইপিজেডের প্রাইমমুভার শ্রমিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন। স্বস্তি ফিরছে বন্দর ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে।
পুলিশ কমিশনার এবং মালিকপক্ষের সাথে সফল আলোচনার পর প্রত্যাহার করা হয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডের প্রাইমমুভার শ্রমিকদের ধর্মঘট। বেতন বৃদ্ধি, নিয়োগপত্র এবং পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন দাবিতে গত ৪ মে থেকে প্রাইমমুভার শ্রমিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম ইপিজেড থেকে সব ধরনের আমদানি এবং রপ্তানি পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দেয়। এতে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্পজোনে তৈরি হয় ভয়াবহ সংকট। রপ্তানি পণ্য যেমন কারখানা থেকে বন্দরে পাঠানো সম্ভব হচ্ছিল না, তেমনি বন্দর থেকে আমদানি করা কাঁচামাল ফ্যাক্টরিতে আনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ইপিজেড কর্তৃপক্ষ নানাভাবে চেষ্টা করেও সংকটের সুরাহা করতে পারেনি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার, ডেস্ক-০৩
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ